বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০১৫
শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০১৫

অর্থনীতিতে নোবেল পুরুস্কারে (১৯৯৮) সম্মানিত অধ্যাপক অমর্ত্য সেন বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যামন্ট ইউনিভার্সিটি প্রফেসর | কেমব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের 'মাস্টার' পদে ছিলেন ১৯৯৮-২০০৪ | তাঁর সাম্প্রতিক গ্রন্থগুলি হল : 'ডেভেলপমেন্ট এজ ফ্রিডম' (বাংলা অনুবাদে 'উন্নয়ন ও স্ব-ক্ষমতা'), 'রাশনালিটি এন্ড ফ্রিডম' এবং 'আইডেনটিটি এন্ড ভায়োলেন্স : দি ইলিউশন অফ ডেসটিনি' | তাঁর গ্রন্থগুলি ত্রিশটিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে |
মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০১৫
বুধবার, ২০ মে, ২০১৫
"জীবনের সবচেয়ে বড় ঐশ্বর্য্য মনে, বাহিরে নয়। একদিন ইতিহাসের আবর্তনে এক অপরূপ ঐশ্বর্য্য বাঙালী জীবনে আসিয়াছিল। তাহার কথা ভুলিবার নয়, তবু বাঙালীও ভুলিতেছে দেখিয়া এই বইটা লিখিয়াছি। ভালবাসাকে চিরস্থায়ী করিতে না পারিলেও ভালবাসার স্মৃতি অন্তত স্থায়ী করিতে চাই।" ----- নীরদ চন্দ্র চৌধুরী। "বঙ্কিমচন্দ্র বলিয়া গিয়াছেন, ইংরেজ আমাদিগকে অরাজকতা হইতে উদ্ধার করিয়াছেন। তাহা ছাড়া বঙ্কিম সম্বন্ধে আর একটি গল্পও আছে। তিনি যখন ডেপুটিগিরির জন্য প্রার্থী হন, তখনও সিপাহী- বিদ্রোহের জের চলিতেছে। যে পদস্থ ইংরেজ কর্মচারীর নিকট তিনি গিয়াছিলেন, তিনি তাঁহাকে এই যুদ্ধের ফলাফল সম্বন্ধে প্রশ্ন করিলেন। বঙ্কিম উত্তর দিলেন, ইংরেজের জয় সম্বন্ধে বিন্দুমাত্র দ্বিধা থাকিলে তিনি চাকুরির জন্য আসিতেন না।" "মুসলমান আধিপত্যের যুগে হিন্দু-মুসলমানের যে মিলন দেখিতে পাওয়া যায় তাহার একটা হিন্দুর দিকও আছে। তখন সাধারণ মুসলমান যেমন ষোল আনা গোঁড়া মুসলমান ছিল না সাধারণ হিন্দুও তেমনই ষোল আনা গোঁড়া হিন্দু ছিল না। এই যুগে হিন্দু সভ্যতার প্রাচীন গৌরবের কোন স্মৃতি ছিল না।সুতরাং হিন্দুর সংস্কৃতি লোপ পাইবে এই আশঙ্কা করিয়া সাধারণ হিন্দু-মুসলমানেরর আচার,ভাষা, পোশাকপরিচ্ছদ, এমন কি ধর্মবিশ্বাসও গ্রহন করিতে সঙ্কোচ বোধ করিত না। এই কারণেই তখন দুই সম্প্রদায়ের সাধারণ লোকের মধ্যে সৌহার্দ্য থাকাই স্বাভাবিক বলিয়া মনে করিতে হইবে। বিবাদ হইলেই বরঞ্চ আশ্চর্য হইবার কথা।" "যে কারণে ঊনবিংশ শতাব্দীতে ভারতবর্ষের হিন্দুরা পূর্বাপেক্ষা অনেক বেশী হিন্দুভাবাপন্ন হইয়া উঠেন, ঠিক সেই কারণে মুসলমানরাও এই যুগে অনেক বেশী ইসলামীভাবাপন্ন হইয়া পড়েন।" 'দাই হ্যান্ড গেট অ্যানার্ক' এবং টেলিগ্রাফে তাঁর ইংরেজদের তিরস্কার-করা প্রবন্ধ পড়ে দ্য নিউ ইয়র্ক রিভিউ-তে আয়ান বুরুম লিখেছেন : সত্তর বছর আগে বাংলায় চৌধুরী অপমান বোধ করেছিলেন, কারণ কতগুলি আত্মম্ভরী ইংরেজ তাচ্ছিল্যের হাসি হেসেছিল ব্রিটিশ সংস্কৃতিতে তাদের চেয়ে তাঁর গভীরতর জ্ঞান দেখে।
বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৫

ভূমিকা
‘তোমার ক্ষয়’- এর মধ্য দিয়ে আমি আমার নিজস্ব কিছু একান্ত ভাবনাকেই ব্যক্ত করেছি। প্রকৃতপক্ষে আমার এই ভাবনা যথাসম্ভব কঠোর শব্দের মাধ্যমেই প্রকাশিত হওয়ার দাবি রাখে। কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে তেমন উপযুক্ত কঠোর শব্দ চয়ন করা কিছু কঠিন ছিল, আর সেই সঙ্গে এ খেয়ালও রাখতে হয়েছে যে শেষ পর্যন্ত বইটিকে পাঠকের দরবারে পৌঁছতে হবে।
বইটি লেখার সময় আমি ছাপড়া জেলে বন্দি ছিলাম এবং বইয়ের কিছু অংশ তৎকালীন ‘জনতা’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।
সূচিপত্র
* তোমার সমাজের ক্ষয়
* তোমার ধর্মের ক্ষয়
* তোমার ঈশ্বরের ক্ষয়
* তোমার সদাচারের ক্ষয়
* তোমার জাতপাতের ক্ষয়
* তোমার জোঁকদের ক্ষয়![]()
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৫
ফ্ল্যাপে লিখা কথা
সোফি অ্যামুন্ডসেন। চৌদ্দ বছর বয়েসী এই নরওয়েজিয় কিশোরী একদিন বাসার ডাকবাক্সে উঁকি মেরে দেখতে পায় সেখানে কে যেন অবাক করা দুটো চিঠি রেখে গেছে। চিঠি দুটোতে শুধু দুটো প্রশ্ন লেখা : ‘তুমি কে?’ আর ‘পৃথিবীটা কোথা থেকে এলো?’ অ্যালবার্টো নক্স নামের এক রহস্যময় দার্শনিকের লেখা আশ্চর্য চিরকুট দুটোর সেই কৌতূহল উস্কে দেয়া প্রশ্ন দু’খানি-ই সূত্রপাত ঘটিয়ে দিল প্রাক-সক্রেটিস যুগ থেকে সার্ত্রে পর্যন্ত পাশ্চাত্য দর্শনের রাজ্যে এক অসাধারণ অভিযাত্রার। পর পর বেশ কিছু অসাধারণ চিঠিতে আর তারপর সশরীরে, পোষা কুকুর হার্মেসকে সঙ্গে নিয়ে, অ্যালবার্টো নক্স সোফির কৌতূহলী মনের সামনে দিনের পর দিন একের পর এক তুলে ধরলেন সেই সব মৌলিক প্রশ্ন যার জবাব বিভিন্ন দার্শনিক আর চিন্তাশীল মানুষ খুঁজে ফিরছেন সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকে। কিন্তু সোফি যখন এই চোখ ধাঁধানো আর উত্তেজনায় ভরা আশ্চর্য জগতে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই সে আর অ্যালবার্টো নক্স এমন এক ষড়যন্ত্রের জালে নিজেদের বাঁধা পড়তে দেখল যে খোদ সেটাকেই এক যারপরনাই হতবুদ্ধিকর দর্শনগত প্রহেলিকা ছাড়া অন্য কিছু বলা সাজে না।
উপন্যাসের ছলে সোফির জগৎ প্রকৃতপক্ষে পাঠকের সামনে তুলে ধরেছে পাশ্চাত্য দর্শনের একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু প্রাঞ্জল ইতিহাস। তবে এখানে সোফি যেহেতু তার দর্শন শিক্ষককে নানান প্রশ্ন করছে , নিজের মেধা ও বুদ্ধি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, আরসেই সঙ্গে পাঠককেও উদ্বুদ্ধ করছে সেই চিন্তা ভাবনার খেলায় শামিল হতে , তাই বইটি শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠেছে অত্যন্ত চিত্তার্ষক এবং ভাবনাসঞ্চারী। দর্শন সম্পর্কে ভীতিমূলক ধারণা অমূলক প্রমাণে সোফির জগৎ যে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে সে আশা হয়ত করা যেতে পারে। নরওয়েজিয় ভাষায় লেখা মূল বইটির এই বঙ্গানুবাদটি করা হয়েছে, লেখকের অনুমতিক্রমে, পঅলেট মোলারকৃত ইংরেজি অনুবাদ থেকে।
লেখক : ইয়েস্তান গার্ডর এর জন্ম ৮ আগস্ট ১৯৫২ সালে। নরওয়ের বার্গেন শহরে দর্শন পড়িয়েছেন তিনি দীর্ঘদিন। এখন সর্বক্ষণের লেখক; নিবাস অসলো, স্ত্রী এবং দুই পুত্র সহ।
১৯৯৮ সালে সোফির জগৎ কে অত্যন্ত সফলভাবে একটি মিউজিক্যালে রূপ দেয়া হয় এবং জার্মানীতে সেটারপ্রথম পার্ফর্মেন্সের সময় বিক্রি হয় বইটির লক্ষ লক্ষ কপি।
এ পর্যন্ত ইয়স্তেন গার্ডার যে কয়টি গ্রন্থ রচনা করেছেন তার সব কটিই ইংরেজিতে অনুবাদ হয়েছে। বাংলায় অনুবাদ হয়েছে আটটি।
অনুবাদক : জি এইচ হাবীব (গোলাম হোসেন হাবীব) এর জন্ম ১৯৬৭ সালে ঢাকায়। মিরপুরের শহীদ আবু তালেব উচ্চ বিদ্যালয় ও মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ এর মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা মেসে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যয়ন করেন। তারপর বছর দুয়েক সাংবাদিকতা করে যোগ দেন অধ্যাপনায়।

