শনিবার, ২০ জুন, ২০১৫
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথা
যাদুর হাওয়া লাগা অনেকগুলো মানুষ, নাগরদোলায় চেপে বসা একটি জনপদ, ঘোর লাগা এক সময়, একটি যুদ্ধ, একজন যুদ্ধাহত কর্নেল, কয়েকটি অভ্যুত্থান। উপন্যাস ‘ক্রাচের কর্নেল; বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে নাটকীয় কালপর্বের অনন্যসাধারণ গাঁথা।
১৯৭৬ সালে বিশেষ সামরিক ট্রাইব্যুনালে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার লে. কর্নেল এম এ তাহের ও তাঁর সঙ্গীদের গোপন বিচার অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায় গতকাল সোমবার প্রকাশিত হয়েছে। এতে তাহেরের মৃত্যুদণ্ডকে ঠান্ডা মাথার খুন হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। রায়ে বলা হয়, কর্নেল তাহেরের মৃত্যুদণ্ড হত্যাকাণ্ড। কারণ, ট্রাইব্যুনাল গঠনের অনেক আগেই জেনারেল জিয়াউর রহমান কর্নেল তাহেরকে মৃত্যুদণ্ড প্রদানে মনস্থির করেন। ওই হত্যাকাণ্ডকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিত্রিত করতে সরকারের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেহেতু জেনারেল জিয়া জীবিত নেই, আইন অনুযায়ী তাঁর বিচার সম্ভব নয়। তাই দণ্ডবিধি অনুযায়ী তাঁর বিচার করার সুযোগ নেই। কিন্তু এ হত্যার জন্য দায়ী কেউ জীবিত থাকলে সরকারের উচিত হবে তাঁদের খুঁজে বের করে বিচারের আওতায় আনা। পাঠক আসুন ক্রাচের কর্ণেল বইটি আরো একবার পড়ে দেখি।