শুক্রবার, ১ এপ্রিল, ২০১৬
বইঃ দেবলোকের যৌনজীবন
লেখকঃ ডঃ অতুল সুর
প্রকাশনীঃ জোছনালোক, কলকাতা ১৯৮৩
মানুষ গোড়া থেকেই তার দেবতাকে নিজের স্বরূপে কল্পনা করে নিয়েছিল । সেজন্য মানুষের যে সব দোষ-গুণ আছে, তার দেবতাদেরও তাই ছিল । এটা বিশেষ করে লক্ষিত হয় দেবতাদের যৌনজীবনে । যৌনজীবনে মানুষের যে সব গৰ্হিত আচরণ আছে, দেবতাদেরও তাই ছিল । যৌনজীবনে সবচেয়ে গৰ্হিত আচরণ হচ্ছে ইনসেক্ট' বা অজাচার। ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের মধ্যে যে যৌনসংসর্গ ঘটে, তাকেই অজাচার বলা হয় । তবে যে সমাজের মধ্যে এরূপ সংসর্গ ঘটে, সেই সমাজের নীতি-বিধানের ওপরই নির্ভর করে কোনটা অজাচার, আর কোনটা অজাচার নয়। দৃষ্টান্তস্বরূপ বলা যেতে পারে যে ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের কোন কোন উপজাতির মধ্যে বিধবা বিমাতা ও বিধবা শাশুড়ীকে বিবাহ করার প্রথা আছে । অন্যত্র এটা অজাচার। উত্তর ভারতে বিবাহ সপিণ্ড-বিধান ও গোত্র-প্রবর-বিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত । সেখানে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের মধ্যে অজাচার ঘটবার উপায় নেই। আবার দাক্ষিণাত্যে মামা-ভাগ্নী ও পিসতুতো-মামাতে ভাই-বোনের মধ্যে বিবাহ সামাজিক নিয়ম-কানুন দ্বারা স্বীকৃত। সেখানে এরূপ যৌন সংসর্গ অজাচার নয়। আবার প্রাচীনকালে ভ্রাতা ও ভাতৃবধূর মধ্যে যৌন-সংসর্গ অজাচার বলে গণ্য হত না । ভ্রাতা অস্বীকৃত হলে, অপরকে ডেকেও বিধবা বধূদের গর্ভসঞ্চার করানো হত। এরূপ গর্ভসঞ্চারের ফলেই মহাভারতের দুই প্রধান কুলপতি ধৃতরাষ্ট্র ও পাণ্ডুর জন্ম হয়েছিল ।
অথর্ববেদে (৮৬৭) পিতা-পুত্রী ও ভ্রাতা-ভগিনীর মধ্যে যৌনমিলনের উল্লেখ আছে । নহুষ তার ‘পিতৃকন্যা’ বিরজাকে বিবাহ করেছিল ও তার গর্ভে ছয়টি সন্তান উৎপাদন করেছিল ।
সূচী
অঙ্গরাদের যৌন আবেদন ,
দেবদেবীর ব্যভিচার,
দেবদেবীর অজাচার,
শিব সংযমী দেবতা ,
রাজমহীষীদের আশ্বসঙ্গম ,
নারীসঙ্গম ও তন্ত্রধর্ম ,
বিদ্যাধর ও বিদ্যাধরীদের আচরণ ,
মহাদেবের অনুচর ,
দেবদেবীর কুলজী ,
মুনি ঋষিদের যৌন জীবন ,
মৈথুনের মল্লবীর ,
হিন্দুদের কামশাস্ত্র,
হিন্দুমন্দিরে মিথুনমূর্তি ,
বেদপুরাণের ইতিবৃত্ত ,
দেবলোকের পরিচিতি ,
পৌরাণিক উপাখ্যান।
Download
বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০১৬
"লিঙ্গপুরাণ" । সাতটি ভিন্ন বিষয়ের একটি প্রবন্ধের বই। "লিঙ্গপুরাণ" কোনো পুরাণ নয়। পুরাণের মতো কিছু বিষয়ও নয়। অথচ প্রাচীন ধ্যানধারণা সংস্কার ভেঙে সাতটি নির্মোহ বিষয়ের পর্যালোচনা। ভাবতে ভাবতে পড়া, কিংবা পড়তে পড়তে ভাবা — অথবা দুইই একসঙ্গে হতে পারে।
আমার যেসব পাঠক-বন্ধুরা এখনও বইটি সংগ্রহ করতে পারেননি বা পড়ে উঠতে পারেননি, তাদের জন্য সুখবর। এখন বাড়ি বসেই বইটি পেয়ে যান এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সংগ্রহ করে পড়ুন। নীচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করে চলে যান । খুব সহজ পদ্ধতিতে বইটির ২.১৪ মেগাবাইটের পিডিএফ ডাউনলোড করে নিন। পড়ুন যত খুশি, যেমন খুশি। বাংলাদেশ সহ ভারতের বাইরের দেশগুলিতে যেখানে যারা আছেন প্রত্যেকেই বইটি সংগ্রহ করে নিন। এখন আমার বই পড়া আপনাদের কাছে অনেক সহজ হয়ে গেল। কারা কারা সংগ্রহ করলেন আমাকে সেটা জানাতে ভুলবেন না।



