বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০১৫
নালক হল গৌতমবুদ্ধের গল্প। দেবলঋষি যোগে বসেছিলেন। ছোট্ট ছেলে নালক তাঁর সেবা করছিল। এমন সময় অন্ধকারে আলো ফুটল। চাঁদের আলো নয়, সূর্যের আলো নয়, সমস্ত আলো মিশিয়ে এক আলোর আলো। সন্ন্যাসী নালককে বললেন, কপিলাবাস্তুতে বুদ্ধদেব জন্ম নেবেন। আমি চললাম।
একলা নালক চুপ করে রইলো বটতলায়। তার ধ্যানমগ্ন চোখের সামনে উঠতে লাগল বুদ্ধের সারা জীবনের ছবি। একের পর এক।
তারপর?
শিল্প সম্পর্কে বাংলা ভাষায় অন্যতম সেরা বই । অবনীন্দ্রনাথের কিছু বক্তৃতার সংকলন ।
ডাউনলোড করুন
শকুন্তলা অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৭১-১৯৫১) প্রথম গ্রন্থ। সংস্কৃত সাহিত্য অবলম্বনে অবনীন্দ্রনাথ মোট দুটি গ্রন্থ লিখেছিলেন। একটি রামায়ণ এবং অপরটি এই শকুন্তলা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাল্য গ্রন্থাবলী প্রকাশে উদ্যোগী হলে তাঁরই অনুরোধে অবনীন্দ্রনাথ শকুন্তলা রচনা করেন। এই গ্রন্থ রচনাকালে রবীন্দ্রনাথ অবনীন্দ্রনাথকে অভয় দিয়ে বলেছিলেন, “তুমি লেখই-না, ভাষার কিছু দোষ হয় আমিই তো আছি।” বাংলা ১৩০২ সালের শ্রাবণ মাসে বাল্য গ্রন্থাবলী-র প্রথম গ্রন্থরূপে প্রকাশিত হয় শকুন্তলা।
মহাভারতের কথা অমৃতসমান। আর মহাভারতের অন্তর্গত শকুন্তলার কথা? এমন বেদনামধুর উপাখ্যান পৃথিবীতে কম লেখা হয়েছে। শকুন্তলার সেই অসামান্য কাহিনীকেই ছোটদের জন্য নতুন করে লিখেছেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


