বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ, ২০১৬
....... লোকদুটি কোদাল ও শাবল মাটিতে ফেলে নিঃশব্দে লাফিয়ে পড়ল সমাধিক্ষেত্রে । তারপরে আস্তে আস্তে সেই লোকগুলোর দিকে এগিয়ে গেল ।চোখে তাদের হর্ষ, উদ্বেগ, ভয় । কিছুদুরে লোকগুলো কবর খুঁড়ছিল...... যাক শেষ হলো তাদের কবর দেয়া ।সেই লোকদুটির এবার কর্মক্ষেত্রে নামার সময়...... তারা দুজনে খুব তাড়াতাড়ি গর্ত খুরতে লাগলেন । উত্তেজনায় সারা শরীর ঠক ঠক করে কাঁপছিল, কপালে জমে উঠছিল ঘাম । চোখের পাতা পরছে না, শুধু হাত চালাও হাত চালাও আর সময় নেই........ তারা শবধারটা টেনে তুললেন তারপর......

কে যেন প্রবল আক্রোশে কারমাতজা পরিবারের বিশাল মাফিয়া সাম্রাজ্য গুঁড়িয়ে দিতে চায়। খুনগুলো হচ্ছেও খুব নৃশংশ ভাবে। প্রত্যেকটা লাশের গায়ে একাধিক কামড়ের দাগ এবং সেগুলো বিভৎসভাবে ছিন্নভিন্ন করা। এই কেসের তদন্তে নামেন ডিটেক্টিভ জ্যাক ডওসন আর রেবেকা চ্যান্ডলার, যারা পরস্পরের প্রতি অদ্ভুত এক অনুরাগের অনুভূতিতে আবদ্ধ। তাঁরা কেউ এ রহস্যের জট ছাড়াতে পারছিলেননা। খুনগুলো সংঘটিত হয় সব বদ্ধ ঘরগুলোতে, যেটা মানুষের পক্ষে একেবারেই অসম্ভব। তখন।বেরিয়ে আসে বাবা লাভেল নামে এক বোকোরের (ভুডু জাদুকর বা তান্ত্রিক) হাত আছে এর পেছনে। সে নরক থেকে ডেকে এনেছে কিছু ছোট আকৃতির ভয়ঙ্কর হিংস্র প্রাণী। তারাই ঘটিয়ে চলেছে এসব হত্যাকান্ড। এই প্রাণীগুলোকে লাভেল লেলিয়ে দের ডিটেক্টিভ ডওসনের মেয়ে পেনি আর ছেলে ডেভিকে খুন করার জন্য। তখনই জমে ওঠে শেষ নাটক।

'দি আউটসাইডার' -এর নায়ক মারসো । আলজিয়ার্সে সে সামান্য এক চাকুরি করে । ফরাসি আলজিরীয় মধ্যবিত্ত অবিবাহিত যুবক হিসেবে তার দিন কেটে যায় নিরানন্দ ফ্লাটে, সপ্তাহান্তে মেয়েবন্ধুকে নিয়ে । কিন্তু সমাজের চোখে সে দোষী, কারন সমাজ মনেকরে তার মধ্যে অভাব আছে মৌল আবেগ ও প্রতিক্রিয়ার । দ্বাদশ ব্যাক্তি হিসেবে পর্যবেক্ষন করে জীবন, যৌনতা, মৃত্যু । তারপরে ঘটনাচক্রে সে খুন করে .........
বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০১৬
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০১৫

অনীশ দেবের জন্ম ২২ অক্তোবর ১৯৫১,কলকাতায় | পদার্থ বিজ্ঞানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্মানিক স্নাতক এবং ফলিত পদার্থ বিজ্ঞানে বি.টেক ,এম.টেক, পিই এইজ ডি | বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি স্বর্ণ ও একটি রৌপপদক পেয়েছেন | কর্মজীবন : কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের রিডার | লেখালেখির শুরু ১৯৬৮ -তে,অধুনালুপ্ত 'মাসিক রহস্য পত্রিকায়| প্রকাশিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস/গল্প গ্রন্থ : ঘাসের শীষ নেই,সাপের চোখ,তীরবিদ্ধ,জীবন যখন ফুরিয়ে যায়,ইত্যাদি |
অনীশ দেব নতুন প্রজন্মের কাছে এক জনপ্রিয় লেখক।জনপ্রিয় লেখক অনীশ দেব মূলত একজন ভারতীয়,কিন্তু তিনি বাংলাদেশও সমান জনপ্রিয়।তার লেখার মূল বিষয় ডিটেকটিভ,সায়েন্স ফিকশন,অনুবাদ ও রহস্যময়তা।
সাসপেন্স ! রহস্য ! থ্রিলার ! সব একসাথে পাবেন এই বই দুটিতে। আছে প্রায় ৩০টি গল্প।
বুধবার, ১০ জুন, ২০১৫
কাহিনী সংক্ষেপ
রুখতেই হবে সাউরানকে।কিছুতেই সে যেন ফিরে না পায় সর্বনাশা রিংটি। পেলে গোটা মধ্যবিশ্ব হবে ছারখার। মুক্তিপথের ক্লান্তপথিক গ্যান্ডলফকে এসব বড় ভাবাচ্ছে। তার ওপর ‘কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটার’ ভুমিকায় নেমেছে সারুম্যান দ্য হোয়াইট, হোয়াইট কাউন্সিলের কর্ণধার-গ্যান্ডালফের এক সময়ের সুহৃদ। তবে অকুতোভয় গ্যান্ডলফ হাত গুটিয়ে বসে নেই, জড় করছে তার অন্য মিত্রদের-ল্যাগোল্যাস দ্য এলফ, গিমলি দ্য ডুয়ার্ফ, সায়ারের ফ্রোডো ব্যাগিন্স ও বিলবো ব্যাগিন্স, এরাথর্ন- তনয় এরাগর্ন, রিভেন্ডেল এর অধিপতি এলরণ্ড, রোহানের দণ্ডমুণ্ডের কর্তা থিওডেন। এরা কি পারবে সাউরানের পৃথিবীজোড়া কুপ্রভাব নস্যাৎ করতে? ঘরের শত্রু সারুম্যানকে নিয়েই বা কি করবে গ্যান্ডলফ? লরিয়েনের যাদুসম্রাজ্ঞী গ্লাড্রিয়েলও যে কিছু বুঝতে পারছে না। গন্ডরের পতন তো চার আনা হয়ে গেছে। কোথায় থামবে মর্ডরের ডার্কলর্ড? কি হবে বৈশ্বিক সাম্যভাবের ভবিষ্যৎ?
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০১৫
দস্যু বনহুর বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক রোমেনা আফাজ কর্তৃক সৃষ্ট একটি কথাচরিত্র। দস্যু বনহুর সিরিজে এই চরিত্রভিত্তিক নিয়ে শতাধিক (১৩৬টি) গোয়েন্দা কাহনী প্রকাশিত হয়েছে। ছোটবেলা নৌদূর্ঘটনায় চৌধুরী বাড়ীর ছেলে মনির হারিয়ে যায়, দস্যু সর্দার কালু খাঁ তাঁকে কুঁড়িয়ে পান ও পরবর্তিতে তাঁকে "দস্যু বনহুর" রুপে গড়ে তোলেন। গরীবের বন্ধু ও চোরাকারবারীদের চির শত্রু দস্যু বনহুর যেমন গরীবের কাছে ছিলেন পূঁজোনীয় তেমনি চোরাকারবারী ও সন্ত্রাসদের কাছে ছিলেন জমদূতের মত। এই সিরিজের স্লোগান হচ্ছে 'সত্য ও ন্যায়ের প্রতীক দস্যু বনহুর'।
দস্যু বনহুরের সহায়ক চরিত্র হিসেবে রয়েছে রহমান ও কায়েস, তাঁরা একাধারে বনহুরের বন্ধু ও সহযোদ্ধা ছিলেন। তাঁর দু'জন স্ত্রী ছিলো একজন জঙ্গলে অন্যজন শহরে; শহুরে স্ত্রীর নাম মনিরা ও অপরজনের নাম নূরী। মনিরার গর্ভে দস্যু বনহুরে বড় ছেলে "নুরুজ্জামান নূর" এর জন্ম, যে পরবর্তীতে দেশের সৎ ও সাহসী ডিটেকটিভ হিসেবে পরিচয় লাভ করে। নূরীর গর্ভে "জাভেদ" নামে তার একটি ছেলের জন্ম হয়, যে পিতার মতই দস্যুতা করতে ভালবাসে।
"কালু খাঁ" যাঁকে দস্যু বনহুর বাপু বলে সম্বোধন করতেন, কালু খাঁ ছিলেন একজন প্রখর বুদ্ধিসম্পন্ন ডাকাত সর্দার। একদিন তিনি ছোট্র মনিরকে কুঁড়িয়ে পান ও পরবর্তিতে তাঁকে "দস্যু বনহুর" রুপে গড়ে তোলেন।
দস্যু বনহুর সিরিজে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের মধ্যে "আশা" নামের চরিত্রটিকে ধারনা করা হয় এই সিরিজের সবচেয়ে রহস্যময়। এছাড়া "দস্যু রানী" নামের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র রয়েছে যিনি "আহাদ" নামের একজন নাম করা একজন ডিটেকটিভের স্ত্রী।
চলচ্চিত্র অভিনেত্রী অঞ্জনা অভিনীত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবিটির নাম ছিলো "দস্যু বনহুর"। ছবিটিতে "দস্যু বনহুর" চরিত্রে অভিনয় করে চিত্রনায়ক সোহেল রানা। এতে আরও অভিনয় করেন প্রয়াত চিত্রনায়ক জসিম। ছবিটির "ডোরা কাটা দাগ দেখলে বাঘ চেনা যায়" গানটি দারুন জনপ্রিয়তা পায়।
দস্যু বনহুর সিরিজের বইগুলো ডাউনলোড করুন নিচ থেকে
দস্যু বনহুর ১ ও ২(ডাউনলোড করুন)

দস্যু বনহুর ৩ঃ সৈনিক বেশে দস্যু বনহুর(ডাউনলোড করুন)
দস্যু বনহুর ৪ঃ নাথুরামের কবলে মনিরা(ডাউনলোড করুন)
দস্যু বনহুর ৫ঃ দুর্ধষ্য দস্যু বনহুর(ডাউনলোড করুন)
দস্যু বনহুর ৬ঃ ছায়ামূর্তি(ডাউনলোড করুন)
দস্যু বনহুর ৭ঃ মনিরা ও দস্যু বনহুর(ডাউনলোড করুন)
দস্যু বনহুর ৮ঃ সাগরতলে দস্যু বনহুর(ডাউনলোড করুন)
দস্যু বনহুর ১৫-১৬ঃ চিত্র নায়ক দস্যু বনহুর(ডাউনলোড করুন)

শুক্রবার, ৮ মে, ২০১৫
ফার্স্ট অ্যাভিনিউতে পাঁচ রুমের একটা অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়ার চুক্তি করার পরপরই মিসেস কর্তেজ নামে এক মহিলার কাছ থেকে ফোন এলো। গী ও রোজমেরী উডহাউসকে মহিলা জানালঃ ব্রামফোর্ডে চার রুমের একটা আপার্টমেন্ট খালি হয়েছে। ওখানে একটা বাড়ি পেতে লালায়িত সবাই। এমন সুযোগ হাতছাড়া করল না ওরা। জানল না, নিজেদের অজান্তে কোন ফাঁদে পা দিয়েছে।
রোমান ও মিনি, গিলমোর দম্পতি, লরা - লুইজিসহ অ্যাপার্টমেন্ট এর সব বাসিন্দা কেন এভাবে অর ভালোমন্দের প্রতি এতটা মনযোগী হয়ে উঠেছে বুঝতে পারছে না রোজমেরী। বিনা কারনে কেন অন্ধ হয়ে গেল ওর স্বামী গী-র অভিনয় জগতের প্রতিদ্বন্দ্বী, কেন হুট করে কোমায় চলে গেল শুভার্থী হাচ? কী ঘটছে?
কেন ওর কোনও অভিযোগই কানে তুলছেন না ডাক্তার সেপারস্তেইন? তবে কি হাচের কথা অনুযায়ী শয়তানের উপাসক এরা - কোভেন? ওর সন্তানকে নিয়ে কী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে ওরা? কেমন করে রেহাই পাবে ও?
বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০১৫
দুটি বই একত্রে

শী
দুহাজার বছর ধরে অপেক্ষা করছে সে, তার ক্যালিক্রেটিস আসবে।
যে দয়িতকে নিজ হাতে হত্যা করেছিল, পুনর্জন্ম নিয়ে আসবে সে তার প্রেম গ্রহন করতে।
এল ক্যালিক্রেটিস - তাকে অনন্ত যৌবন দেয়ার জন্যে, রহস্যময় আগুনের কাছে নিয়ে গেল। ...
তারপর?
রিটার্ন অভ শী
মৃত্যুর আগ - মুহুর্তে বলে গেছে আয়শা, আবার সে আসবে।
অন্তত একবারের জন্যে হলেও সে সুন্দর হবে।
কিন্তু কী করে?
জানে না লিও ভিনসি, জানে না হোরেস হলি।
অবশেষে সত্যিই একদিন দৈব - সংকেত পেল ওরা, আউশা ডাকছে।
দুর্গম পর্বতমালা, দুস্তর মরুভূমি পেরিয়ে রওনা হল লিও ও হলি।
আয়শার খোঁজ কি ওরা পাবে?
ডাউনলোড করুন
ড্যানি! ৫ বছর বয়স্ক এক ক্ষুদ্র বালক। কিন্তু এই বালকের রয়েছে এক বিস্ময়কর প্রতিভা। রয়েছে প্রখর বুদ্ধিমত্তা এবং পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা। রয়েছে অলৌকিক কিছু ক্ষমতাও। যখন তার বাবা ‘ওভারলুক হোটেল’ এর তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব পান, তখন তার এই ক্ষমতা আরও বিপদজনকভাবে প্রতিফলিত হতে থাকে। শীতের সময় এই হোটেলটি সংস্কারমূলক কাজের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, ফলে এখানকার অতিথিরা চলে যান অর্থাৎ এটি শুন্য হয়ে পড়ে। কিন্তু ২১৭ নম্বর কক্ষে এক রহস্যময়ী নারী থেকে যান। কিন্তু তিনি কখনো জনসমক্ষে আসেন না। আবার গভীর রাতে প্রায়ই মুখোশধারী কিছু ব্যক্তিকে লিফট দিয়ে উঠানামা করতে দেখা যায়। কিন্তু আসলে তারা কারা? গভীর রাতে হটাৎ করেই এই হোটেলটি যেন একটি প্রাণীর মতো জীবন্ত হয়ে উঠে! এই হোটেলে তো আধিভৌতিক রহস্যময় কিছু একটা আছেই! কিন্তু কি সেটি ?![]()

হাজার বছর ধরে এক বিস্ময়কর সিক্রেট ফর্মুলা লুকিয়ে রাখা হয়েছে শার্লেমইনের কিংবদন্তীতুল্য দাবাবোর্ডে। প্রকৃতির নিয়মকে পাল্টে দেবার ক্ষমতা রাখে এটি-যেমন শক্তিশালী তেমনি বিপজ্জনক। দার্শনিক রুশো, ভলতেয়ার, আইজ্যাক নিউটন, ক্যাথরিন দি গ্রেট, গণিতবিদ লিওনার্দো ফিবোনাচ্চি, পিথাগোরাস, সঙ্গিতজ্ঞ বাথ, রিশেলু আর ফরাসি সম্রাট নেপোলিওন বোনাপার্তসহ ইতিহাসের অসংখ মহান ব্যক্তিত্ব এই ফর্মুলার খোঁজে ছিলেন। ফর্মুলাটি করায়ত্ত করতে ফরাসি বিপ্লব আর আধুনিক সময়কালে সমান্তরালভাবে ঘটে চলছে দুটো ঘটনা। সেই দুটো ঘটনা একবিন্দুতে এসে মিলিত হয় অভাবনীয় রোমাঞ্চ আর গোলকধাঁধাতুল্য অ্যাডভেঞ্চারেরর মধ্য দিয়ে।
যারা ড্যান ব্রাউন-এর দুনিয়া কাঁপানো থ্রিলার ‘দ্য দা ভিঞ্চি কোড’ পড়ে রোমাঞ্চিত হয়েছেন তাদের জন্য ক্যাথরিন নেভিল-এর বহুস্তরবিশিষ্ট সিক্রেট আর পাজলের সমন্বয়ে গড়া বিশাল ক্যানভাসের দ্য এইট অবশ্যই পাঠ্য।![]()
নাম - ভার্টিকাল রান
লেখক - জোসেফ গারবার
অদ্ভুত হলেও এটা সত্যি যে ডেভ এর কাছের মানুষেরাই হঠাত সবাই ওকে খুন করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। কিন্তু এর কারন সম্পর্কে ওর বিন্দুমাত্র ধারনা নেই। দুঃস্বপ্নটা আতঙ্কে রুপ নিল যখন এক পঞ্চাশ তলা ভবনে আটাকা পড়ল ডেভ, যার প্রতিটা ফ্লোরে ঘুরে বেড়াচ্ছে নির্দয় খুনির দল। আর ওদের একমাত্র টার্গেট ডেভ এলিয়ট!!
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৫
![]()

আজব এক দানবের আবির্ভাব হয়েছে সাগরে, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সমুদ্রের সঙ্গে জড়িত সবার মধ্যে । পুলিশ তদন্ত করতে গিয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছে । বিজ্ঞানীরা সন্তোষজনক কোন ব্যাখা দিতে পারছেন না । আরো রহস্য যোগ হল । ডলফিনের সঙ্গে কি সাঁতরে চলেছে ? পুকুরের তলায় বিশ্রাম নিচ্ছে কেন সাদা বানরটা ? রহস্যময় ঘটনায় ভরপুর আলেকযান্ডার বেলায়েভের দুনিয়া কাপানো রুশ বিজ্ঞান কল্পকাহিনি “দি অ্যামফিবিয়ান ম্যান” এখুনি ডাউনলোড করুন!![]()
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৫

‘এ্যাঞ্জেলস এ্যান্ড ডেমনস হল বইভর্তি নরক-এটাকে গলাধঃকরণ করতে আমার চমৎকার শক্ত সময় কেটেছে.. মোহাচ্ছন্ন করে রাখা, কল্পনায় ভাসানো, উত্তেজনাপূর্ণ লেখা।,
-নিউ ইয়র্ক টাইমস বেস্টসেলিং লেখক ডেল ব্রাউন
‘রোমের বুক চিরে একটা বিস্ফোরক গতি এনে দেন ব্রাউন। একটু পর পর মোচড়, চমক আর শক পাঠককে শেষ বিন্দু পর্যন্ত সচকিত করে রাখে।,
-পাবলিশার্স উইকলি
‘জীবন-মরণ নিয়ে টানাহেঁচড়া; ইদুর-বিড়ালের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, রোমান্স, ধর্ম, বিজ্ঞান, খুন, দৈববাদ, স্থাপত্যকলা আর এ্যাকশন।’
-কারকাস রিভিউ
‘দুর্দান্ত গতি, হৃদপিন্ডকে থামিয়ে দেয়া থ্রিলার যেটা বিনা দ্বিধায় পাল্লা দিবে ক্যান্সি আর কাসলারের সেরা কাজগুলোর সাথে। এ্যাকশনে ভর্তি গল্পটা নির্ভাবনায় পাঠককে নিয়ে যায় প্রায় সত্যির কাছাকাছি। এ্যাঞ্জেলস এ্যান্ড ডেমনস এমন এক পড়ার অভিজ্ঞতা যা উপভোগকারী কখনো ভুলতে পারবে না।’ -
‘মিডওয়েস্ট বুক রিভিউ
‘এক কথায় ব্রিলিয়ান্ট! চরিত্রগুলোর গভীরতা আছে... কাহিনীতে আছে হরদম মোড়, পিছলে পাঠক বইয়ের উপরে। সাবপ্রাইজে ঠাসা। একেবারে শেষ পর্যন্ত....ওয়াও!’-নিউহ্যাম্পশায়ার সানডে নিউজ
ডাউনলোড করুন এখানে




ডাউনলোড

