বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০১৫
বইটিতে সাইন্স ফিকশনের আদলে অনেক মজার একটি কাহিনী আবর্তিত হয়েছে ।
এ গল্পে টুকি ও ঝা দুইজন চোর। তবে যেমন তেমন চোর নয়, রীতিমত পাস করা ডিগ্রী ধারী চোর। তাই তাদের চুরির ধরন গরনও হয়তো একটু ভিন্ন । তারা চুরি করে মূল্যবান সফটওয়ার ডকুমেন্ট, গুরত্বপূর্ণ নথিপত্র। কিন্তু তারা একবার এক টুকরো হিরা চুরি করে পালাতে গিয়ে ভুলে এক জঙ্গলে ঢুকে পড়ে। সেখানে একটা বাড়ি দেখে ভিতরে যায় এবং দেখে দুই বুড়ো। তাদেরকে তারা বাড়ির বাইরে বের করে দেয়। তারপর বাড়িটি কেমন যেন নড়তে থাকে,তারা বুঝতে পারে এটা আসলে একটা মহাকাশযান এর ভেতর। এর পর তাদের মহাকাশ যান উড়তে শুরু করে তাদের নিয়ে । দুইজনের সঙ্গি হয় রোবি নামের রোবট । টুকি ও ঝা মহাকাশের বিভিন্ন গ্রহে ভ্রমন
করে আর মজার মজার ঘটনা ঘটায় । কখনো তারা পৌঁছে যায় হীরার তৈরি গ্রহে । যেখানে তাদের হীরা চুরির কথা শুনে কেও বিশ্বাস ই করে না । কখনো তারা পৌঁছে যায় বিচিত্র গ্রহে যেখানে পুরুষ রা ঘরে থাকে আর মেয়েরা বাইরে কাজ করে । কখনো তাদের
নিয়ে যাওয়া হয় তাদের বুদ্ধি ট্রান্সফার করতে । যা করতে গিয়ে একটা গ্রহের সবাই চোর হয়ে যায় । কখনো বা তাদের কাজ দেয়া হয় রোবটদের হাসানোর জন্য । একবার আবার হয় কি তাদেরকে বিজ্ঞানী ভেবে বন্দী করে নিয়ে যায় এক গ্রহের রোবট । তারা তাদের এক যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব দেয় । কিন্তু তারা তো এসবের কিছুই জানে না । তা সত্ত্বেও প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে তারা নানা উল্টা পাল্টা কাহিনী
শুরু করে দেয় । অদ্ভুতভাবে জিতেও যায় তারা । এইভাবে চলতে থাকে তাদের অভিযান
। শেষে তারা পৃথিবীতে আসার জন্য রওনা দেয় ।এজন্য
তাদেরকে কয়েকটি হাইপারড্রাইভ দিতে হয় । ফলে তারা সময়ের
আগে চলে আসে মানে তারা অতীতে ফিরে যায় ।
যারা সাইন্স ফিকশন ভালোবাসেন এবং যারা বইয়ের মাঝে মজার খোঁজ করেন তারা এই বইটি পড়লে বুঝতে পারবেন যে একটা বই কতটা মজার হতে পারে ।তাই দেরি না করে পড়ে ফেলতে পারেন বইটি ।![]()
ফ্ল্যাপে লিখা কথা
কাজেই দেখাই যাচ্ছে এখন আমাদের স্কুলের কোনো নাম ডাক না থাকতে পারে কিন্তু আজ থেকে পনেরো কিংবা বিশ বছর পরে আমাদের স্কুল থেকে অনেক বিখ্যাত (কিংবা কুখ্যাত) মানুষ বের হবে। ফুটবল প্লেয়ার, দার্শনিক, সিরিয়াল কিলার, মাদক সম্রাজ্ঞী, নায়কা, পীর, শীর্ষ সন্ত্রাসী, সাহিত্যিক কিংবা নেতা এরকম অনেক কিছু তৈরী হলেও এই স্কুল থেকে কোনো বৈজ্ঞানিক বের হওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু হঠাৎ করে দেখা গেল আমাদের হাজী মহব্বতজান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একজন খাঁটি বৈজ্ঞানিক বের হওয়ারও একটা বিশাল সম্ভাবনা তৈরী হয়েছে। তবে এটাকে সম্ভাবনা বলব না আশংকা বলব সেটাও অবশ্যি আমরা এখনো ঠিক জানি না।![]()
গোপন একটি ল্যাবরেটরিতে এগারোটি মেয়েকে বড় করা হচ্ছে। একসময় সেখানে ছিল উনিশজন, বিজ্ঞান কেন্দ্র একজন একজন করে আটজনকে নিয়ে গেছে। যারা গেছে তারা আর কখনো ফিরে আসেনি। গোপন ল্যাবরেটরির নিঃসঙ্গ মেয়েগুলো জানতো তারা আর ফিরে আসবে না, যারা এখান থেকে যায় তারা আর কখনো ফিরে আসে না। তার কারণ মানুষ হয়েও তারা মানুষ নয়। তারা ক্লোন। ক্লোনদের কোন নাম হয় না, একটি সংখ্যা দিয়ে তাদের পরিচয়। ক্লোন মেয়েরা যখন তাদের তাদের পরিচয়। ক্লোন মেয়েরা যখন তাদের একটা মেয়েটে বিদায় দেয় তখন গভীর ভালোবাসায় তাকে একটি নাম দেয়। নায়ীরা সেরকম একটি নাম। কেউ তাকে সেই নামে ডাকে না, ক্লোন মেয়েটি তবু সেই নামের পরিচয় নিয়ে বেঁচে থাকে। ধুকে ধুকে বেঁচে থাকা নয়, সত্যিকারের বেঁচে থাকা। নিজের জন্যে এবং সবার জন্যে বেঁচে থাকা।![]()
বিজ্ঞানীরা যুক্তি ছাড়া কথা বলতে পছন্দ করেনা আর কবিরা ছন্দ ছাড়া কথা বলতে পছন্দ করেনা। কিন্ত এরকমটি কি তোমরা কেউ কখনো দেখেছ? আদতে যদি একজন কবির সাথে একজন বিজ্ঞানীর দেখা হয় বন্ধুত্ব হয় তাহলে কি ঘটবে? মানিক আর রতন তেমনই দুজন ব্যক্তি যাদের একজন কবি আরেকজন বিজ্ঞানী। যেন তেন কবি বা বিজ্ঞানী নয় রীতিমত নাম ডাক আছে। তো কাকতালীয় ভাবে দুজনের দেখা হয়ে গেল। তারপর ঘটতে থাকলো একের পর এক মজাদার সব ঘটনা। কবির কবিতা থেমে গেল,বিজ্ঞানীর বিজ্ঞান গবেষণা ভিন্ন রুপ নিল। প্রথম আলো কিশোর ঈদ সংখ্যায় মানিক আর রতনের এই অসাধারণ গল্পের কিছুটা ছাপা হয়েছিল। যারা পড়েছ তারাতো জানোই কি অসাধারণ গল্পটি। আর যারা পড়নি তারা আর দেরি নয় কিনে ফেল এই অসাধারণ বইটি। এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলতে ইচ্ছে হবে।![]()
বুধবার, ১০ জুন, ২০১৫

সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ০১
সূচিপত্র
*কপোট্রনিক সুখদুঃখ
*মহাকাশে মহাত্রাস
*ক্রুগো
*ট্রাইটন একটি গ্রহের নাম
*বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিষ্কার
*ওমিক্রনিক রূপান্তর
*টুকুনজিল
*যারা বায়োবট![]()
সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ০২
সূচিপত্র
নিঃসঙ্গ গ্রহচারী
*ক্রোমিয়াম অরণ্য
*ত্রিনিত্রি রাশিমালা
*অনুরন গোলক
*নয় নয় শূন্য তিন
*পৃ
*রবোনগরী
*টুকি এবং ঝায়ের (প্রায়) দুঃসাহসিক অভিযান![]()
মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০১৫
বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর পাঠকদের নিয়ে অবহেলার দৃষ্টিতে তাকানোর নিয়ম আছে। পাঠক সমাজে এরা সর্বনিম্নে অবস্থান করে। ধরা হয়ে থাকে সাহিত্যের মহানবোধ ... ইত্যাদি ইত্যাদি থেকে এরা বঞ্চিত। কোনো পাঠক একবার বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী পড়া শুরু করলে ভাঙ্গা গ্রামোফোন রেকর্ডের মতো সেখানেই আটকে থাকে। পাঠক আর বেড়ে ওঠেন না। আমার জন্যে এটা বিরাট দুঃসংবাদ কারণ আমি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর অতি ভক্ত পাঠক। যখন পড়ার মতো কল্পকাহিনী পাই না তখন নিজেই লিখি যেন পড়েতে পারি। অন্বেষা আমার বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর সব লেখা একত্র করেছে। সিরিয়াস পাঠকদের বলছি এই বইয়ের ধারে কাছে যাবেন না। একবার পড়তে শুরু করলে সিরিয়াস পাঠকের মৃত্যু ঘটবে। আর যারা আমার মতো পাঠক তাদের বলছি- ‘কেঁও মি ছিয়া’ (ভীন গ্রহের প্রাণীর ভাষা। এর অর্থ পাঠের নিমন্ত্রণ।)
হুমায়ূন আহমেদ
নুহাশ পল্লী
সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ০১

১ম খন্ডে আছেঃ-
তোমাদের জন্য ভালোবাসা
তারা তিনজন
অন্য ভূবন
ইরিনা
অনন্ত নকত্রবীথি
কুহক
ডাউনলোড করুন
সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ০২
২য় খন্ডে রয়েছেঃ-
ফিহা সমীকরন
শূন্য
নি
তাহারা
পরেশেয় হইলদা বড়ি
আয়না
নিউনের ভুল সুত্র
যন্ত্র
নিমধ্যমা
ডাউনলোড করুন
সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ০৩

৩য় খন্ডে রয়েছেঃ-
ওমেগা পয়েন্ট
ইমা
দ্বিতীয় মানা
অইঁক জাদুকর
কুদ্দুসের একদিন
সম্পর্ক
ডাউনলোড করুন
