শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০১৫
বুধবার, ১ জুলাই, ২০১৫

কেন গল্প? কেনই বা কাহিনি? এ-বিষয়ে কমলকুমার লিখেছেন : আমাদের মন বলে যে গল্প মানুষ নিভৃতে পড়িবে, আর্টের সহিত নির্জনতার যোগ রহে, তাহারে আমরা এক নির্জনতাতে লইব।’ একদিকে, আগে উল্লিখিত ভাষায় একটা আর অপরদিকে বিষয়ে নির্জনতা দুয়ের মধ্যবর্তী পথে বিচরণ করে কমলকুমার সৃষ্টি করেছিলেন তাঁর চিরায়ত কাহিনিগুলো। বহমান বাঙালিত্বকে রূপময়তায় চিত্রায়িত করেছেন, শহুরে জীবনে থেকে খুঁটিয়ে দেখেছেন কৌম জীবন, তার আখ্যান লিখেছেন অপরিচিত জগতের অন্যরকম জীবন ও জীবিকার ছোঁয়ায়, যা অন্তিমে হয়ে উঠেছে ধ্রুপদী। তা কি ভাষার গুণে, না দেখার অনন্যতায়? কমলকুমারের জীবদ্দশায় পুস্তকাকারে প্রকাশিত হয়েছিল দুটি মাত্র উপন্যাস আর দুটি গল্প সংকলন। বিচিত্র জীবন ও আশ্চর্য সব জীবিকা গ্রহণের অন্তে তিনি কিন্তু মনোনিবেশ করেছিলেন কাহিনিবিন্যাসে, যা হয়ে উঠেছে শেষপর্যন্ত লেখকরূপেই তাঁর প্রধান পরিচয়।
বুধবার, ২৪ জুন, ২০১৫
১৯৫২ সাল, পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র সমাজ রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনমুখর। একুশে ফেব্রুয়ারির দিন মিছিলে গুলিবর্ষণ হলো। ভাষার জন্য জীবন দিলেন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার। ঢাকা মেডিকেল কলেজ চত্বরে ভাষা শহীদদের মৃতদেহ দেখার জন্য ছাত্র-জনতার ভিড় জমে গেল। শহীদ বরকতের মৃতদেহ দেখে সেদিন ঢাকা কলেজের এক ছাত্রের ভাবান্তর হলো অন্যরকম। তাঁর মনে হলো, বরকত তো আর অন্য কেউ নয় সে যেন তাঁরই ভাই। মনের ভেতর তৈরি হলো তাঁর কবিতার লাইন 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি।' এভাবেই লেখা হয়ে গেল একটি দীর্ঘ কবিতা। সেদিনের কলেজ পড়ুয়া মাত্র আঠারো বছর বয়সী ওই তরুণের নাম হচ্ছে আবদুল গাফফার চৌধুরী। তার সেই দীর্ঘ কবিতাটিতে প্রথমে সুর দেন আবদুল লতিফ। পরবর্তীতে আলতাফ মাহমুদের সুরে ওই কবিতাটি প্রভাত ফেরির গান হিসেবে অমর একুশের ব্যঞ্জনা নিয়ে আসে। যতদিন একুশে ফেব্রুয়ারি থাকবে ততদিন বেঁচে থাকবে ওই গান আর বাঙালী জাতি স্মরণ করবে একজন আবদুল গাফফার চৌধুরীকে।
আবদুল গাফফার চৌধুরীর গল্প সমগ্র ডাউনলোড করুন এখান থেকে...

গল্প সমগ্র - ১ম খন্ড
গল্প সমগ্র - ২য় খন্ড
গল্প সমগ্র - ৩য় খন্ড
গল্প সমগ্র - ৪র্থ খন্ড
কলকাতার বিখ্যাত প্রকাশকদের সূত্রে জানি, একসময় সুবোধ ঘোষের 'ভারত প্রেমকথা' বিক্রির রেকর্ড সৃষ্টি করেছিল, সেই বেস্ট সেলার বইটির বিক্রির সংখ্যা ছিল ৬০ হাজারের মতো। সুবোধ ঘোষ (জন্ম: ১৯০৯ - মৃত্যু: ১০ মার্চ, ১৯৮০) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক ও বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক। বিহারের হাজারিবাগে ১৯০৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। আদি নিবাস বাংলাদেশের ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের বহর গ্রামে। হাজারিবাগের সেন্ট কলম্বাস কলেজের ছাত্র ছিলেন। বিশিষ্ট দার্শনিক ও গবেষক মহেশ ঘোষের লাইব্রেরীতে পড়াশোনা করতেন। প্রত্নতত্ত্ব, পুরাতত্ত্ব, এমনকি সামরিক বিদ্যায়ও তাঁর যথেষ্ট দক্ষতা ছিল। ১০ মার্চ, ১৯৮০ সালে তিনি মৃত্যুমুখে পতিত হন। বিচিত্র জীবিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলো তাঁর জীবন। কর্মজীবন শুরু করেন বাসের কন্ডাক্টর হিসেবে। এছাড়াও, ট্যুইশন, ট্রাক ড্রাইভার, সার্কাস পার্টিতে ক্লাউনের ভূমিকায় ছিলেন। বহু পথ ঘুরে ত্রিশ দশকের শেষে আনন্দবাজার পত্রিকার রবিবাসরীয় বিভাগে সহকারী। ক্রমে সিনিয়ার এসিস্ট্যান্ট এডিটর, অন্যতম সম্পাদকীয় লেখক। তাঁর একটি প্রখ্যাত ছোটগল্প 'জতুগৃহ'। ছোটগল্পটি অবলম্বনে একাধিক চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে তপন সিংহ ঐ নামে এবং বোম্বেতে হিন্দীতে একটি ছবি নির্মিত হয় 'ইজাজাত' নামে যার পরিচালনায় ছিলান গুলজার। অনামী সঙ্ঘ (বা চক্র) নামে তরুণ সাহিত্যিকদের বৈঠকে বন্ধুদের অনুরোধে সুবোধ ঘোষ পর পর দুটি গল্প 'অযান্ত্রিক' এবং 'ফসিল' লেখেন যা বাংলা সাহিত্যে অসাধারণ আলোড়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়। গল্প লেখার ইতিবৃত্ত সম্বন্ধে স্বয়ং সুবোধ ঘোষ কী বলেন তা এখানে উদ্ধৃত করা যেতে পারে। শিল্পী সুবোধ ঘোষ ১৯৪৪ এ গড়া কংগ্রেস সাহিত্য সংঘ এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। ১৯৪৬ এর ১৬ আগস্ট উত্তর দাঙ্গা বিধ্বস্ত নোয়াখালী থেকে তিনি গান্ধীজির সহচর থেকে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছিলেন দাঙ্গা এবং দাঙ্গাউত্তর কালপর্বে সাম্প্রদায়িকতার হিংস্রতাকে।
ডাউনলোড করুন বইটি
শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০১৫
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০১৫
বুধবার, ৬ মে, ২০১৫
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০১৫
সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৫
এখানে পাবেন ৫ টা উপন্যাস। এবং ৮ টা গল্প। বাংলা সাহিত্যে সুনিলদার অবদান অসমাপ্ত। প্রেম বিশয়ক তার লেখাগুলো সত্যি স্পর্শকাতর। দাগ রেখে যাবে হৃদয়ে। সেরকমের ৫ টা উপন্যাস এবং অবশ্যি সেরা এখানে সংগ্রহ করা হয়েছে। গল্পগুলোও প্রচন্ড রকমের আবেগি। পড়ে ফেলবেন আশা করি।উপন্যাসঃ
১। হে প্রবাসি
২। মায়া কাননের ফুল
৩। সুপ্তবাসনা
৪। হীরকদীপ্তি
৫। শকুন্তলা
গল্পঃ
১। রানী ও অবিনাশ
২। নীরার অসুখ
৩। ভেতরের চোখ
৪। কাটা
৫। সিড়িতে
৬। সর্র দর্শন
৭। কুকুরের ভাষা
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৫
ভারতীয় সাহিত্যের দুটি প্রধান গ্রন্থ পঞ্চতন্ত্র ও হিতোপদেশ। পৃথিবীর সাহিত্যেও পঞ্চতন্ত্র ও হিতোপদেশের অতি বিশিষ্ট অবস্থান। এ দুটি গ্রন্থে অরন্যের পশুপাখি, জলের কচ্ছপ ও কুমির ইত্যাদি প্রানীর মুখে মানুষের ভাষা বসিয়ে গল্পের ছলে নীতিকথা প্রচার করা হয়েছে।
ইউরোপের ঈশপের গল্পও সমান গৌরবের অধিকারী। সেখানে গল্পের নায়ক বেশিরভাগ সময়েই শেয়াল, বাঘ, বানর, কাকপক্ষী, কচ্ছপ ইত্যাদি। পশুপাখীর গল্পকে অবলম্বন করে প্রচার করা হয়েছে নীতি- উপদেশ।
জগতে এই তিন অমর গ্রন্থের তুলনা নাই। পৃথিবীর মানুশের চিন্তাধারার সঙ্গে মিশে গিয়েছে পঞ্চতন্ত্র, হিতোপদেশ ও ঈশপের গল্পের কাহিনী।
হিতোপদেশ ডাউনলোড করুন এখানে।

‘চাচা কাহিনী’ সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত গল্প গ্রন্থগুলির মধ্যে প্রধানতম। প্রায় প্রতিটি গল্পই বিদেশের পটভূমিকা রচিত। বিদেশে বিশেষ করে বার্লিন প্রবাসী বাঙালী তরুণ বয়স্ক ছাত্রদের নিয়েই রচিত। অনেক গল্প। স্বয়ং লেখক যৌবনে বার্লিন প্রবাসী ছাত্র ছিলেন। সে সময়কার নানা কাহিনী গল্পাকারে পরিবেশন করেচেন চাচা কাহিনীতে। সৈয়দ মুজতবা আলীর কলমে খাঁটি দেশী যাদু সেরা বিদেশী পলিশে সারাক্ষণ ঝকঝক করছে। চাচা কাহিনীর মতো এমন বিশুদ্ধ উপাদেয় আন্তর্জাতিক রসিকতা বাংলা ভাষায় অন্তত আগে কখনও পড়া যায়নি।
সূচীপত্র
*স্বয়ংবরা
*কর্ণেল
*মা-জননী
*তীর্থহীনা
*বেল-তলাতে দু-বার
*কাফে-দে-জেনি
*বিধবা-বিবাহ
*রাক্ষসী
*পাদটীকা
*পুনশ্চ
*বেঁচে থাকো সর্দি কাশি





সূচিপত্র


